Summary
মানুষ বিভিন্ন কাজ করে বেঁচে থাকার জন্য, যার মূল লক্ষ্য হলো জীবিকা সংগ্রহ করা। এই কাজগুলো প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
- অর্থনৈতিক কার্যাবলি: জীবিকা সংগ্রহের জন্য করা কাজ, যা অর্থ উপার্জনের সাথে যুক্ত। উদাহরণ হিসেবে শ্রমিকের কলকারখানায় কাজ, কৃষকের জমিতে কাজ, ডাক্তার রোগীর চিকিৎসা করা উল্লেখযোগ্য। অর্থনৈতিক কার্যাবলি দ্রব্যের অভাব পূরণ করার উদ্দেশ্যে নতুন পণ্য সৃষ্টি করে।
- অ-অর্থনৈতিক কার্যাবলি: এই ধরনের কাজের মাধ্যমে অর্থ উপার্জিত হয় না এবং তা জীবনধারণের জন্য ব্যয় করা যায় না। উদাহরণস্বরূপ, পিতামাতার সন্তানের লালন-পালন বা শখের জন্য খেলাধুলা করা।
বেঁচে থাকার জন্য মানুষ নানাবিধ কাজ করে । এসব কাজের মূল লক্ষ্য হলো জীবিকা সংগ্রহ করা । জীবিকার জন্য কেউ কল-কারখানায়, কেউ অফিস বা কেউ জমিতে কাজ করে । জীবিকা সংগ্রহ ছাড়াও মানুষ খেলাধুলা, চিত্তবিনোদন বা সন্তান প্রতিপালনের মতো কাজও করে । আবার অনেকে সমাজবিরোধী কাজের সাথেও জড়িত থাকে । উপরের সবগুলো কাজকে আমরা অর্থনৈতিক কাজ বলব না । উপরের এ কার্যাবলি আমরা দুভাবে ভাগ করি ।
যেমন- ক) অর্থনৈতিক কার্যাবলি, খ) অ-অর্থনৈতিক কার্যাবলি ।
ক) অর্থনৈতিক কার্যাবলি ২০১৯
মানুষ জীবিকা সংগ্রহের জন্য যে কার্যাবলি করে থাকে, তাকে অর্থনৈতিক কার্যাবলি বলা হয় । অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষ অর্থ উপার্জন করে এবং জীবনধারণের জন্য তা ব্যয় করে । যেমন- শ্রমিকরা কলকারখানায় কাজ করে, কৃষকরা জমিতে কাজ করে, ডাক্তার রোগীদের চিকিৎসা করে, শিল্পপতিরা শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে—এগুলো হলো অর্থনৈতিক কাজ । মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূল প্রেরণা হলো দ্রব্যসামগ্রীর অভাব পূরণ করা – নতুন দ্রব্য ও সেবা পণ্য সৃষ্টি করা।
খ) অ-অর্থনৈতিক কার্যাবলি
যে সমস্ত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্থ উপার্জিত হয় না এবং তা জীবনধারণের জন্য ব্যয় করা যায় না তাকে অ-অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বলা হয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড মানুষের অভাব পূরণ করলেও অর্থ উপার্জনে ভূমিকা রাখতে পারে না । যেমন- পিতামাতার সন্তান লালন-পালন, শখের বশে খেলাধুলা করা ইত্যাদি অ-অর্থনৈতিক কাজের উদাহরণ ।
Read more